নিজস্ব প্রতিবেদক | টুয়েন্টিফোর টিভি প্রকাশিত : সোমবার, ২০২০ জুলাই ২০, ১২:৫১ অপরাহ্ন
#
করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে দীর্ঘ ২৫ দিন বন্ধ থাকার পর বান্দরবানে সোমবার (২০ জুলাই) সকাল থেকে সব ধরনের গণপরিবহন চলাচল শুরু হয়েছে। গণপরিবহন চলাচল শুরুর প্রথম দিনে বান্দরবান থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও রাঙ্গামাটি সড়কে বাস চলাচল শুরু হয়েছে।
সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে বাস চলাচল শুরু করার কথা থাকলে ও অনেক যাত্রীরা সামাজিক দূরত্ব না মেনে ও মুখে মাস্ক ব্যবহার না করে যাতায়ত করছেন। বাসে জীবানুনাশক স্প্রে ও নির্দিষ্ট দূরত্বে অবস্থান করার কথা থাকলেও অনেকেই তা মানছে না।
বান্দরবান থেকে চট্টগ্রামে ভ্রমণে যাওয়া যাত্রী রিটন বিশ্বাস বলেন, বান্দরবান জেলা প্রশাসন স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চলাচল করার অনুমতি দিয়েছে। তবে অনেকেই নিয়ম না মেনে বাসে ওঠানামা করছে। করোনার এই সময়ে আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। কিন্তু অনেকেই সচেতন নয় এখনো।
বান্দরবান থেকে চট্টগ্রাম রুটে ভ্রমণে যাওয়া যাত্রী হুমায়ন কবির জানান, বান্দরবান থেকে চট্টগ্রাম যেতে বাস স্টেশনে আসলাম অনেকক্ষণ। কিন্তু প্রথমদিনে গণপরিবহণ অনেকটাই কম।
এদিকে করোনা মোকাবিলায় কম যাত্রী পরিবহনের শর্তে ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়িয়ে বাস মালিকরা যাত্রীদের সুরক্ষায় প্রতিটি বাসে জীবানুনাশক স্প্রে দেওয়ার পাশাপাশি প্রত্যেক যাত্রীকে মাস্ক পরার জন্য নির্দেশনা দিচ্ছে।
বান্দরবান পূর্বাণী বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুব্রত দাশ ঝন্টু জানান, বান্দরবান জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং আমরা নিয়ম মেনে বাস চলাচল শুরু করেছি।
বান্দরবানের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শামীম হোসেন বলেন, বান্দরবানে দীর্ঘ ২৫ দিন বন্ধ থাকার পর গণপরিবহন চলাচল শুরু হয়েছে। অনেকদিন যাত্রীরা বান্দরবানে আসতে পারেনি ও যেতে পারেনি। জনগণের সুবিধার কথা বিবেচনা করে গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, দূরপাল্লার বিভিন্ন বাস প্রতিনিধি এবং পূরবী-পূর্বাণী বাস মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাস চালুর অনুমতি চেয়েছিল আর তাদের অনুমতির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার সকাল থেকে তাদের বাস চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে কোনো পরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে অতিরিক্ত যাত্রী উঠালে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত ১০ জুন থেকে বান্দরবান ও লামা পৌরসভাকে রেডজোন ঘোঘণা করে লকডাউন করে সব গণপরিবহণ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন