চরম্বায় রাতের আঁধারে পাহাড় কাটছে প্রভাবশালীরা

মো: এরশাদ আলম, লোহাগাড়া(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২০২১ জুলাই ১৫, ১২:২৩ অপরাহ্ন

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চরম্বা ৫নং ওয়ার্ডের উত্তর কালোয়ার পাড়া এলাকায় পরিবেশ আইন না মেনে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে রাতের আঁধারে দেদারছে চলছে পাহাড় কাটা। পাহাড়ের মাটি কেটে ডেম্পার গাড়ী করে বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় প্রভাবশালী পাহাড়খেকোরা। এতে যেমন পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে তেমনি ধ্বংস হচ্ছে গ্রামীণ সড়ক গুলো।

মাটির গাড়ী চলাচলের কারণে প্রতিনিয়ত সড়কে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে স্থানীয়রা চলাচল করতে হিমসিম খাচ্ছে। তবে,পাহাড় খেকোরা প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে প্রতিবাদ করতে পারছেননা স্থানীয়রা। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, উত্তর কালোয়ার পাড়া গুচ্ছি গ্রাম সড়কের হাতির জোড়া নামক স্থান হতে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে
প্রতিদিন রাত ১০টার পর থেকে ভোর ৭টা পর্যন্ত স্কেভেটার দিয়ে পাহাড় কেটে মাটি গুলো বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করছে একটি প্রভাবশালী মহল। বালু ও মাঠিখেকোরা এলাকার খুব বেশী  প্রভাবশালী। তাদের ভয়ে আমরা নাম বলতে পারছিনা।

তবে, এলাকায় পাহাড় ও বালু উত্তোলনের কারণে আমাদের এলাকার ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট ভেঙ্গে যাচ্ছে। আমরা অনেক আতঙ্কে দিনযাপন করছি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মিয়া টুয়েন্টিফোরটিভিকে জনান, কিছুদিন ধরে এলাকার কিছু লোকজন পাহাড় ও বালু উত্তোলন করেছিল। তবে এখন নতুন করে পাহাড় কাঁটছে কিনা তিনি জানেননা।

এদিকে পাহাড়টি কেটে ফেলায় হুমকির মুখে রয়েছে পাহাড়ের পাশে থাকা  কয়েকটি বসতঘর। তবে, পাহাড় কাটায় দায়িত্বরতরা এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় বসতঘরের মালিকরা হুমকির মুখে থাকলেও মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ খোরশেদ আলম চৌধুরী টুয়েন্টিফোরটিভিকে  মুঠোফোনে বলেন, পাহাড় কাটা সম্পূর্ণ অপরাধ। এ ব্যাপারে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


■ সম্পাদক : নুরুল আমিন (খোকন)

■ সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় :
১০৫৪, রহিম ম্যানশন (৫ম তলা), সুবর্ণা আ/এ, গোলপাহাড় মোড়, ও. আর. নিজাম রোড়, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ।

মোবাইল : +8801894 78 50 10
ই-মেইল : info.24tvbd@gmail.com
মার্কেটিং : +88 01813 29 29 77

কপিরাইট © 2018-2022 24tv.com.bd । একটি টুয়েন্টিফোর ফ্যামেলির প্রতিষ্ঠান
Design & Developed by Smart Framework